মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায়
মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায় এবং অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আজকের আর্টিকেলটিতে আপনাকে স্বাগতম। মাসিক বা ঋতুস্রাব একজন নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ও সামগ্রী সুস্থতা একটি সাধারণ বিষয় কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাসিকের মাধ্যমেই একজন নারী সন্তান জন্মদানের প্রাথমিক সক্ষমতা অর্জন
করে। মাসিক (Menstruation) এর সময়ে ব্যথা সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা তবে
বিভিন্ন অসচেতনার কারণে অতিরিক্ত ব্যথা হতে পারে। তবে কিছু নিয়ম অনুসরণ করলে
অতিরিক্ত ব্যথা থেকে উপশম পাওয়া যায়। ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায় ও ওষুধ
গুলো কি কি জেনে নিন।
সূচিপত্রঃ মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায়
- মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায়
- মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ কি কি?
-
মাসিকের ব্যথার কারণ ও লক্ষণ কি কি ?
- মাসিকের ব্যথার চিকিৎসা কি?
- মাসিকের ব্যথা ঘরোয়া ভাবে কমানোর উপায় গুলো জেনে নিন
- মাসিকের ব্যথায় কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?
- কোন ধরনের খাবার খেলে মাসিকের ব্যথা উপশম হয়?
-
মাসিকের ব্যথা কমাতে ব্যায়াম
-
মাসিকের ব্যথা কমানোর দোয়া
- উপসংহারঃ মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায়
মাসিকের ব্যথা কমানোমার ঔষধ ও ঘর ওভাবে ব্যথা কমানোর উপায়
মাসিকের ব্যথাকে মেডিকেলের ভাষায় Dysmenorrhea বলা হয়। পিরিয়ড,
ঋতুস্রাব ও মাসিক সকল নারীর জীবন চক্রের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্রতিমাসে পিরিয়ড হওয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যের জন্য কিন্তু
অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা অহরহ। নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব ও অস্বাভাবিক ব্যথা
যা মেয়েদের প্রজনন ক্ষমতাকে বাহিত করে। এইভাবে সমস্যা থেকে বাঁচতে, অবশ্যই কিছু
নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার জরুরী।
মাসিক শুরুর আগে একদিন অল্প অল্প ব্যথা হয়, প্রথম দিন ব্যাথার তীব্রতা
বেড়ে যায় এবং দ্বিতীয় দিন হতে ব্যথা তীব্রতা কমতে থাকে। মাসিকের
ব্যথা খিচুনির মত থেমে থেমে আসতে পারে ও অবিরাম থাকে। সাধারণত ব্যথা দুই-তিন
দিন স্থায়ী হয় ও ব্যাথার তলপেট এবং উরুর দিক থেকে যেতে থাকে। আবার কখনো কখনো
কোমরে ব্যথা অনুভব হতে পারে। কোন কোন সময় রোগীর শরীর দুর্বল থাকার ফলে
জ্ঞান হারিয়ে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটে। এই অসহ্যকর ব্যথা কমানো ও ঘরোয়াভাবে
ব্যথা কমানোর সকল নির্দেশনা নিম্নে দেওয়া হলো।
মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ কি কি?
মাসিকের ব্যথার সময় সর্বপ্রথম যেটা মাথায় আসে সেটা হচ্ছে পেনকিলার। কেননা এই
ব্যথা সহ্য করার মত নয়। তাই চলুন জেনে নেই সাধারন কিছু ঔষধের কথা, যেগুলো খেলে
মাসিকের ব্যথা সাথে সাথেই কিছুটা উপশম হয়। যদিও সব ধরনের পেইনকিলারের ওই একটা
সাইড ইফেক্ট থাকে, তবে অতিরিক্ত ব্যথা হলে এই পেইনকিলার গুলো নেয়া যায়। তবে
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেয়াটাই শ্রেয়। ব্যথা খুব সহনীয় পর্যায়ে থাকলে
প্যারাসুট প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। এরপর চলুন জেনে নেই কমন কিছু ঔষধের
কথা।
- Ibuprofen: ব্যথা ও প্রদাহ দুটোই কমায়। তবে খাবারের পরে খেতে হবে।
- Algene:বেশি ব্যথা হলে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শে খাওয়া উচিত
- Naproxen: মাঝারি থেকে বেশি ব্যথাই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
সব ধরনের ব্যথার ঔষধের সাথে সাধারণত গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খেতে হয়। এছাড়াও যাদের
ব্যথা খুব বেশি পরিমাণে হয় তারা পিল খেতে পারে, তবে অবশ্যই তা ডাক্তারের
পরামর্শে। সতর্কতা স্বরূপ জেনে রাখা ভালো যে এসব ঔষধ গর্ভবতী হলে খাওয়া যাবেনা।
কিডনি এবং লিভারের সমস্যা থাকলে এসব ঔষধ এড়িয়ে চলতে হবে। ব্যথা একেবারে অসহনীয়
পর্যায়ে হলে অর্থাৎ বমি জ্বর এবং অতিরিক্ত রক্তপাত হলে সাথে সাথে ডাক্তারের
পরামর্শ নিন।
মাসিকের ব্যথার কারণ ও লক্ষণ কি কি ?
মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায় জেনে নিন
এবং মাসিকের ব্যথার কারণ ও লক্ষণ কি কি ? জেনে নিন, যা অত্যন্ত জরুরী।
- মাসিকের ব্যথার কারণ কি কি ?
মেয়ে হয়ে জন্মালে মাসিকের ব্যথা আমাদের প্রত্যেককে অনুভব করতে হয় কম বেশি।
চলুন জেনে নেই কেন আসলে এই ব্যথা অনুভূত হয়। প্রাথমিকভাবে কোন রোগ ছাড়াই শরীরের
প্রসটাগ্ল্যাডিন হরমোন বেশি হওয়ায়, ব্যথা অনুভূত হয় এছাড়াও জরায়ুর
অতিরিক্ত সংকোচন এর ফলে ব্যথা অনুভূত হয়। তবে এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণে
অতিরিক্ত ব্যথা অনুভূত হয়। তার মধ্যে অন্যতম কমন রোগ হচ্ছে PCOS. আমাদের
সমাজের খুব বড় অংশের নারীরা এই রোগে আক্রান্ত।
এছাড়াও Uterine fibroid, PID, Endometriosis ইত্যাদি এই ধরনের অসুখ থাকলে
অতিরিক্ত ব্যথা অনুভব হয় এবং একে সেকেন্ডারি ডিসমানোরিয়া বলে।
- মাসিকের ব্যথার কারণ কি কি ?
মাসিকের ব্যাথা সাধারণত পেটে অনুভূত হয় প্রাথমিকভাবে। এরপর ব্যথা পায়ের দিকে
ছড়িয়ে পড়ে। তলপেটে তীব্র বা খিচুনি দিয়ে ব্যথা। ব্যাথা অনেক সময় মাথা ব্যথা
ও দুর্বলতা অনুভব হয় এবং খুব কমন একটা সমস্যা হচ্ছে মুড সুইং। তবে সতর্কতার
বিষয় হচ্ছে খুব বেশি রক্তপাত বা জ্বর হওয়া এবং ব্যথা বেড়ে যাওয়া অসহনীয়
পর্যায়ের।
মাসিকের ব্যথার চিকিৎসা কি?
মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায় সাথে জেনে
নিন চিকিৎসার উপায় গুলো তাহলে আপনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই ব্যথা দূর করতে
পারবেন। মাসিকের ব্যথা দূর করার দুটো পদ্ধতি রয়েছে।
- ঘরোয়া পদ্ধতি
- মেডিকেল চিকিৎসা।
ঘরোয়া পদ্ধতি নিয়ে এই পুরো আর্টিকেলটি তে আলোচনা করব। যেমন ঃ ব্যথার সময়ে গরম
পানির সেড দেওয়া, হালকা ব্যায়াম করা ও যোগব্যায়াম করা, গরম পানি দিয়ে গোসল
কর্ কলা ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ইত্যাদি। তবে ব্যথা অতিরিক্ত
পর্যায়ের হলে আপনাকে মেডিকেলের চিকিৎসা নিতে হবে। ব্যথা মাঝারি পর্যায়ের হলে
কিছু ওষুধ খেতে পারেন যেগুলো উপরে উল্লেখ করা রয়েছে।
মাসিকের ব্যথা ঘরোয়া ভাবে কমানোর উপায় গুলো জেনে নিন
অনেকেরই মনে একটা খুব কমন প্রশ্ন জাগে কিভাবে মাসিকের ব্যথা ঘরোয়া ভাবে উপশম করা
যায়। জনপ্রিয় এই মাধ্যমটির কার্যকারীও বটে। তাই চলুন জেনে নেই মাসিকের ব্যথা
কিভাবে ঘরোয়া ভাবে কমানো যায়। মাসিকের ব্যথা ঘরোয়াভাবে কমানোর কয়েকটি
মাধ্যম নিয়ে আজকে আলোচনা করব।
গরম সেকঃ বাজারে বিপন্ন ধরনের ওয়াট ওয়াটার বোতল পাওয়া যায়। এই
বোতলগুলোতে গরম পানি ভরে ব্যথার স্থানে সেঁক দেওয়া। এতে করে ব্যথা কিছুটা উপশম
হয় কারণ জরায়ুর পেশিগুলো শিথিল হতে থাকে।
- গরম তরল পান করাঃ গরম তরল বলতে আদা দেয়া চা, গরম দুধ, গরম পানি ইত্যাদি পান করলে ব্যথা কিছুটা উপশম হয়।
- এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম ঃ ব্যথা কমানোর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কার্যকরী মেথড হচ্ছে এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম করা। ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ম দেয়া আছে তোমরা চাইলে সেখান থেকে দেখতে পারো । তবে তোমাদের বোঝার সুবিধার্থে কয়েকটি ব্যায়ামের কথা আমি উল্লেখ করছি যেমন বালাসন অর্থাৎ চাইল্ডস পোজ, স্লো ওয়াকিং অর্থাৎ ধীরে হাটা ট্রেচিং অর্থাৎ যোগব্যায়াম , ডিপ ব্রেডিং এক্সারসাইজ ইত্যাদি।
- গরম পানি দিয়ে গোসলঃ মাসিকের ব্যথার সময় গরম পানি দিয়ে গোসল করলে রিল্যাক্সড ফিল হয়।
- খাবারঃ কলা ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন বাদাম, পালং শাক ইত্যাদি খাবার পেশীর খিচুনি কমায় ফলে ব্যথা উপশম হয়।
উল্লেখ্য যে, অতিরিক্ত ঠান্ডা পানিয় বা খাবার এবং অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে
এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নিতে হবে হাঁটু ভাঁজ করে শুয়ে।
মাসিকের ব্যথায় কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?
মাসিকের ব্যথা খুবই সাধারণ একটা ব্যথা। এটা প্রত্যেকেরই হয়, তবে ব্যথা এমন
পর্যায়ে গেলে, যা সহনীয় নয় ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। প্রথমত মাসিক অনিয়মিত
হলে, কেননা এটি PCOS রোগের লক্ষণ। মাসিকের সময় তলপেটে হালকা
ব্যথা হওয়ার স্বাভাবিক কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসা
নেওয়ার প্রয়োজন আছে।
তবে এই "মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায়" নির্দেশনা
অনুযায়ী ওষুধ সেবন ও ঘরোয়া চিকিৎসা নিলে, দ্রুত ব্যথা কমবে। তবে অনেক সময়
সাধারণ পেন কিলার ও ঘরোয়া প্রতিকারও সমাধান হয় না। বা অনেক সময় দেখা
যায়, স্বাভাবিক ব্যথার চাইতেও বা ২-৩ দিনের ও বেশি ব্যথা থাকে। আবার
বিভিন্ন সময় দেখা যায়, অতিরিক্ত রক্তপাত যা ভয়াবহ উদাহরণ। এ সকল সমস্যার
লক্ষ্য করলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
কোন ধরনের খাবার খেলে মাসিকের ব্যথা উপশম হয়?
সাধারণত মেয়েদের মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত, ব্যথা, মল ও প্রসবের রক্ত,
ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শরীরের বিভিন্ন ব্যথা হয়। তাই হরমোন
ভারসাম্য ও জরায়ু সংকোচকে ঠিক রাখতে অবশ্যই সঠিক খাদ্য অভ্যাস
জরুরী। মাসিকের ব্যথা উপশমে ম্যাগনেসিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি
অ্যাসিড, আয়রন ও ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া জরুরী।
যে সকল খাবার খাবেন
- বিভিন্ন প্রকার সবজি। যেমন-কলা, পালং শাক ও সবুজ শাকসবজি।
-
সাধারণ মাছ। যেমন-ইলিশ মাছ ,পাঙ্গাস মাছ, টুনা মাছ ইত্যাদ।
-
মাংসঃ সাধারণত সকল মাংস খাওয়া যায় তবে চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে
চলুন।
-
পানিঃ প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। হালকা গরম পানি ও ভাতের মাড়
খান।
মাসিকের ব্যথা কমাতে ব্যায়াম
মাসিকের ব্যথা কমানোর জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম রয়েছে যেগুলো নিয়মিত করলে
মাসিকের ব্যথা কম হয় ও তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যেমন-
- মাসিকের সময় প্রতিদিন ২০ -২৫ মিনিট হালকা হাটাহাটি করা।
-
হাটু ও হাতের উপর ভর দিয়ে, ফিট বাঁকিয়ে রাখলে পেটের পেশির আরাম হয়।
-
পিঠের উপর ভর দিয়ে শুয়ে হাঁটু বুকের কাছে এনে পায়ের পাতা ধরে রাখতে হয়
যা দীর্ঘক্ষণ আরাম দেয়।
- পিঠের নিচে বালিশ দিয়ে শুয়ে থাকুন।
মাসিকের ব্যথা কমানোর দোয়া
মাসিকের ব্যথা ও শরীরের ব্যথা হলেঃ
- ব্যথার স্থানে হাত রেখে তিনবার "বিসমিল্লাহ" পড়ুন।
- এরপর সাতবার এই দোয়াটি পড়ুন। নিম্নে
আরবি উচ্চারণঃ আউযু বি-ইজ্জাতিল্লাহি ওয়া কুদরাতিহি মিন শাররি মা আজিদু
ওয়া উহাজিরু।
বাংলা অর্থঃ আল্লাহর নামে আমি আল্লাহর অসীম সম্মান ও তার বিশাল ক্ষমতার
উসিলায় আমার অনুভূত এই ব্যথার ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।
নবী করীম (সা.) বলেনঃ তুমি তোমার ডান হাত ব্যাথার স্থানে রেখে সাতবার এই
দোয়া বলো ।
উপসংহারঃ মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায়
"মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ ও ঘরোয়া ভাবে ব্যথা কমানোর উপায়" সঠিকভাবে জেনে
নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। কারণ মাসিকের ব্যথা সবার কাছে সাধারণ,
তবে তীব্র ব্যথা জীবনযাত্রা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব
ফেলতে পারে। যা একজন নারীর প্রজনন ক্ষমতা দীর্ঘ দিনের জন্য বা আজীবনের জন্য
নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
এখানে শুধু ব্যথা কমানো বা ঘরোয়া ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার আলোচনা করা হয় নাই
সাথে কি কি লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী ও সাথে সাথে
কি করণীয়। এ সকল বিষয় নিয়ে এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে। তবে উক্ত সমস্যা
চেয়ে বেশি সমস্যা মনে হলে অবশ্যই একজন গাইনোকোলজিস্ট বা স্ত্রী রোগের
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ




ইজনাির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url