টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন সাথে জেনে নিন, কোন
ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol
Solution) একটি বহুল ব্যবহৃত ঔষধ, এটি সাধারণত বিভিন্ন প্যারাসাইট বা পরজীবী
দ্বারা সৃষ্ট ত্বকের সংক্রমনের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।
টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol Solution) মূলত একটি অত্যন্ত কার্যকারী এন্টি-প্যারাসাইটিক। টেটরাসল সলিউশন নিয়ম অনুসারে ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে নিয়ম না মেনে ব্যবহার করলে উপকার এর বিপরীতে বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার হতে পারে।
সূচিপত্রঃ টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন
- টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন
- টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম
- টেটরাসল সলিউশন এর উপকারিতা
- টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol Solution) মাত্রা এবং প্রয়োগ
- টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol Solution) কিভাবে কাজ করে?
- টেটরাসল সলিউশন এর দাম কত?
- টেটরাসল সলিউশন সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
- টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নির্দেশনা ও সতর্কতা
- টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
- উপসংহারঃ টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন
টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol Solution) এক ধরনের এক্টোপ্যারাসাইটিসাইড ঔষধ যা সাধারণত স্ক্যাবিস বা পাঁচড়া রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। টেটরাসল সলিউশনে থাকা মনোসালফিরাম ২৫% উপাদান যা স্ক্যাবিস সৃষ্টিকারী সার্কপটিস স্ক্যাবিই পরজীবী মাইটোকে নিঃশেষ করতে পারে খুব সহজেই। স্ক্যাবিই নামক পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সক্রিয় যা স্ক্যাবিসের চিকিৎসা এবং প্রতিরোধের জন্য নির্দেশিত।
টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol Solution) এটি একটি (ACI Limited) কোম্পানির ঔষধ। যা বাংলাদেশের বিভিন্ন ফার্মেসি ও অনলাইনে পাওয়া যায়। টেটরাসল সলিউশন সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে এটি খোস পাঁচড়া, উকুন এবং বিভিন্ন পরজীবীজনিত ত্বকের সমস্যা থেকে দ্রুত সমাধান দেয়। তবে নিয়ম না অনুসরণ করে ব্যবহার করলে, এদের বিপরীত হতে পারে। আর সঠিক নির্দেশনা মেনে ব্যবহার করলে দ্রুত উপশম পাওয়া যায়। "টেটরাসল সলিউশন" সম্পর্কে মানুষের যে ধরনের তথ্যের প্রয়োজন, সে সমস্ত তথ্য নিয়ে এই আর্টিকেলটি নিম্নে বিস্তারিত বর্ণনা করা টেটারসল সলিউশন এর মাত্রা ও প্রয়োগহয়েছে।
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম
রাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। কারণ
ব্যবহারের নিয়ম জেনে টেটরাসল সলিউশন ব্যবহার করলে, এ থেকে অধিক ফলাফল পাওয়া
যায়। টেটরাসল সলিউশন আমরা সাধারণত স্ক্যাবিস একজিমা ও বিভিন্ন
প্রদাহের ব্যবহার করি। Tetrasol Solution বিভিন্ন মাত্রায় ব্যবহার করা
যেতে পারে তবে আক্রান্ত ব্যক্তির উপর ব্যবহারের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
টেটরাসল সলিউশন ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহারের নিয়ম
- প্রতিদিন দুইবার ক্ষান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। (সকাল ও রাত)
- প্রথমে আপনার দুই হাত ভালো হবে পরিষ্কার করে নিন।
- টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের আগে অবশ্যই ক্ষতস্থান ভালো হবে পরিষ্কার করে নিন।
-
ভালোভাবে পরিষ্কার করার পর, ১০ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন যাতে
ক্ষতস্থান ভালোভাবে শুকানো হয়।
- সতর্কতাঃ টেটরাসল সলিউশন চোখ এবং মুখে যেন না যায়, খেয়াল রাখুন।
টেটরাসল সলিউশন এর উপকারিতা
টেটরাসল সলিউশন অত্যন্ত কার্যকরী একটি অ্যান্টি-স্ক্যাবিস অর্থাৎ
চর্মরোগ, খোঁসপাঁচড়া ও চুলকানি নাশক ঔষধ। এই ওষুধ ক্ষত স্থানে ব্যবহার
করলে দ্রুত স্বস্তি পাওয়া যায়। "টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা
বিস্তারিত জানুন" আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে কিভাবে আপনি এই
ওষুধ থেকে সবচেয়ে ভালো কার্যকারিতা পাবেন। নিম্নে কার্যকরী উপকারিতা গুলো বর্ণনা
করা হলো।
- চুলকানি ও জ্বালাপোড়ায় টেটরাসল সলিউশনঃ ত্বকের বিভিন্ন চুলকানির সমস্যা ও জ্বালাপোড়া দ্রুত ভালো করে।
- খোঁসপাঁচড়া ও চুলকানিঃ ত্বকের বিভিন্ন খোঁসপাঁচড়া ও চুলকানি থেকে দ্রুত উপশম পাওয়া যায়।
- স্ক্যাবিসঃ টেটরাসল সলিউশন স্ক্যাবিস সৃষ্টিকারী পোকা এবং তাদের ডিম ধ্বংস করে ফেলে, যার ফলে দ্রুত স্ক্যাবিস ধ্বংস হয়।
- ত্বকের অ্যালার্জি দূর করেঃ অনেক কিছু ব্যবহারের ফলে, যে সকল ত্বকের অ্যালার্জি হয় সেগুলো দ্রুত ভালো করে। যেমন-ত্বকে লালচে ভাব ও ত্বক ফুলে ওঠা।
- ত্বকের প্রদাহ কমায়ঃ চর্ম রোগের কারণে, অনেক সময় তাকে প্রদাহ সৃষ্টি করে। যা নির্মূল করতে টেটরাসল সলিউশন খুবই কার্যকরী।
-
পরজীবী দূর করেঃ ত্বকের ওপরে থাকা বিভিন্ন বসবাসকারী পরজীবী দ্রুত
নিষ্পত্তি করতে পারে।
- উকুন নাশকঃ উকুনের উপদ্রব দূর করে।
টেটরাসল সলিউসন ব্যবহারের মাত্রা ও প্রয়োগ
টেটরাসল সলিউসন ব্যবহারের আগে অবশ্যই আপনাকে এর মাত্রা ও প্রয়োগ সম্পর্কে
জানতে হবে।
টেট্রাসল সলিউসন এর ব্যবহারের সাধারণ নিয়ম হলো এটি ১ ভাগ টেট্রাসল সলিউশনের
সাথে ২ থেকে ৩ ভাগ বিশুদ্ধ পানি মেশাতে হবে অর্থাৎ আপনি ২ বা ৩ চামচ পানির সাথে
১ চামচ টেটরাসল মেশাবেন ।তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে রোগ অনুযায়ী
ডাক্তার আপনাকে সঠিক পরামর্শ দিবে। তবে অবশ্যই একটা কথা খেয়াল রাখবেন যে,
যেকোনো ধরনের ঔষধ পানির সাথে মেশানোর সময় পানি বিশুদ্ধ এবং পাত্রটি পরিষ্কার
রাখতে হবে।
আরও পড়ুনঃ মায়োলাক্স 50 এর কাজ কি ও খাওয়ার নিয়ম
এই সলিউশন টি শরীরে প্রয়োগের সময় কিছুটা সতর্ক থাকতে হবে। প্রথমত এটি আপনার
শরীরের খসপচড়া জায়গাটিতে সুন্দরভাবে লাগিয়ে দিন। এরপর শুকিয়ে যাওয়ার জন্য
১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে এবং এটি প্রয়োগের ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর আপনি
সাধারণ জামাকাপড় পড়তে পারবেন তবে প্রয়োগের পর ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত পানি দিয়ে
ধুয়ে ফেলা যাবে না।
টেটরাসল সলিউশন কিভাবে কাজ করে
টেট্রাসল সলিউশন মূলত ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন উৎপাদন ক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। চলুন
বিস্তারিত জানি টেটরাসল সলিউশন কিভাবে কাজ করে। সাধারণত দাঁত বা খসরা পচা
জায়গায় বিভিন্ন ধরনের গ্রাম প্জেটিভ ও গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া জন্মে।
পরবর্তীতে ব্যাকটেরিয়া বংশ বিস্তার করার সাথে সাথে সংক্রমণ আরো বেড়ে যায়।
সেক্ষেত্রে যখন টেটরাসল সলিউসন প্রয়োগ করা হয়, এর উপাদান সমূহ ব্যাকটেরিয়ার
প্রোটিন উৎপাদন ক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। যেহেতু ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকতে গেলে
প্রোটিন প্রয়োজন,তাই এই প্রোটিন তৈরি হওয়া বন্ধ হয়ে গেলে, ব্যাকটেরিয়া বাড়তে
পারে না এবং ধীরে ধীরে মারা যায়।
ফলশ্রুতিতে, যেহেতু ব্যাকটেরিয়া বংশবিস্তার করতে পারে না , তাই সংক্রমণ বাড়ার আর সুযোগ থাকে না। এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে যেই অংশটুকু দিয়ে আক্রান্ত ছিল, সেই অংশটুকু দিয়ে আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। তারপর মরা চামড়া গুলো ধীরে ধীরে ঝরে পড়ে এবং নতুন করে চামড়া গজাতে থাকে। এরপর রোগী খুব সহজেই তার রোগ থেকে পরিত্রাণ পায়।
টেটরাসল সলিউসন এর দাম কত
যেহেতু এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ঔষধ তাই অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এই
টেটুরাসন সলিউশন এর দাম কত। তবে আমার মতে এই ঔষধের দামের তুলনায় কাজের পরিমাণই
বেশি।৩০ মি লি এই ঔষধের মূল্য সাধারণত ১২৫ টাকা। তবে জায়গা ভেদে ট্যাক্স বা
ভ্যাট রেট বেশি হতে পারে। যেমন বিভিন্ন ধরনের ব্র্যান্ডের দোকানে ট্যাক্স রেট
বেশি নিতে পারে। আবার সাধারণ ফার্মেসিতে স্বল্প পরিমাণ ট্যাক্স রেটে আপনাকে ঔষধটি
দিতে পারে।
ঠিক তেমনি কোম্পানি অনেক সময় এই ঔষধের উপরে কিছু পরিমাণ ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। তবে যেহেতু ডিসকাউন্ট সব সময় থাকে না তাই সাধারণভাবে একটা মূল্য বলাই যায় সেটা হচ্ছে 125 টাকা। তাই ফার্মেসিতে বা কোথাও অধিক বা অতিরিক্ত মূল্য চাইলে আপনি তা থেকে সাবধানে থাকুন।
ঠিক তেমনি কোম্পানি অনেক সময় এই ঔষধের উপরে কিছু পরিমাণ ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। তবে যেহেতু ডিসকাউন্ট সব সময় থাকে না তাই সাধারণভাবে একটা মূল্য বলাই যায় সেটা হচ্ছে 125 টাকা। তাই ফার্মেসিতে বা কোথাও অধিক বা অতিরিক্ত মূল্য চাইলে আপনি তা থেকে সাবধানে থাকুন।
টেটরাসল সলিউশন সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন এবং সাথে জেনে নিন সাধারণ মানুষের মনের গহীনে থাকা প্রশ্নগুলি সাথে উত্তর। নিম্নে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো।
- হালকা-পাতলা চুলকানিতে টেটরাসল সলিউশন ব্যবহার করা যাবে কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ হালকা-পাতলা চুলকানিতেও এটি খুব দারুণভাবে কাজ করে, তাই সহজেই আপনি
রোগ নিরাময় করতে পারবেন। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
- এই সলিউশন টা কি মুখে ব্যবহার করা যাবে?
উত্তরঃ হ্যা, এটি মুখে ব্যবহার করা যাবে। তবে ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই ঔষধের
নির্দেশনাবলি গুলো পড়ে নিবেন।
- গর্ভবতী মায়েরা বা দুগ্ধ দানকারী মায়েরা এটি ব্যবহার করতে পারবে কি?
উত্তরঃ না, গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েরা এটি ব্যবহার করতে পারবেন না।
- এই সলিউশন টি দিনে কতবার ব্যবহার করতে হবে?
এটি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে তবে সাধারণত দিনের ১-২
বার।
- মুখে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কুলি করলে কি গিলে ফেলা যাবে?
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নির্দেশনা ও সতর্কতা
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নির্দেশনাঃ
প্রথমত মুখে ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই সর্বপ্রথম ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সে
ক্ষেত্রে মুখে লাগানোর জন্য পরিষ্কার পানির সাথে ঔষধটি মিশিয়ে দিনে দুই-তিনবার
কুলি করুন। কুলি করার পর গিলে ফেলবেন না এবং এটি ব্যবহারের পর 30 মিনিট
পর্যন্ত কোন কিছু খাবেন না। বাহ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমে ক্ষতস্থান টি
পরিষ্কার করুন এবং পরিষ্কার তুলা দিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগান এবং এটি দিনে ১-২
করবেন।
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের সতর্কতাঃ
গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী মা এটি ব্যবহার করতে পারবেন না এবং মনে রাখতে হবে
ট্যাট্রাসাইক্লিনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে এলার্জি হতে পারে তাই একবার ব্যবহারের পর
এলার্জি দেখা দিলে এটা স্কিপ করবেন। তাই আট বছরের নিচে শিশুদের একেবারেই দেয়া
যাবে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে লিভার বা কিডনির গুরুতর সমস্যা হতে পারে। তাই
দীর্ঘদিন এটি ব্যবহার করা যাবে না। কোন ক্ষেত্রে চোখে লেগে গেলে সাথে সাথে পানি
দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এবং আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেটা হলো মেয়াদ
উত্তীর্ণ সলিউশন ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও অতিরিক্ত কোন সমস্যা দেখা দিলে
সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে যেমন মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট হলে এবং
তীব্র জ্বালা বা রাশ দেখা দিলে।
টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
প্রতিটি ঔষধের যেমন কার্যকারিতা রয়েছে ঠিক তেমন কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও
রয়েছে। চলুন জেনে নেই এই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো। মুখে ব্যবহার করলে
সাধারণত মুখে জ্বালা বা পোড়া ভাব হতে পারে মাঝে মাঝে মুখে শুষ্কতা অনুভব হতে
পারে এবং তিক্ত স্বাদ মনে হতে পারে। এবং কোনক্রমে যদি এটি আপনি গিলে ফেলেন তাহলে
বমি বমি ভাব বা ডায়রিয়াও হতে পারে তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন।
ত্বকে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে সাইডএফেক্ট হিসেবে ত্বকে লালচে ভাব আসতে
পারে। কোন কোন সময় চুলকানি বা জ্বালা অনুভব হতে পারে আবার হালকা ফুসকুড়িও
দেখা দিতে পারে। উল্লেখ্য যে কোন কোন সময় মুখ বা জিহবা হঠাৎ ফুলে যায়
এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে
হবে। তবে ঔষধে বড় কোন সমস্যা না থাকলে সাধারণত এই ধরনের গুরুতর সমস্যা দেখা
যায় না।
উপসংহারঃ টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন
"টেটরাসল সলিউশন ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা বিস্তারিত জানুন" এই আটিকেলটিতে
বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol Solution)
সম্পর্কে যা একজন ব্যবহারকারীকে সঠিক ব্যবহারের নিয়ম ও সঠিক নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে। যার ফলে অল্প সময়ে "টেটরাসল সলিউশন" ব্যবহার করলে অধিক কার্যকারিতা
পাওয়া যাবে।
সাধারণত আমরা ত্বকে যে সকল ওষুধ ব্যবহার করে থাকি তার জন্য অবশ্যই অতিরিক্ত সচেতন
থাকা জরুরী। তাই সর্বোত্তম কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিয়মাবলী
মেনে টেটরাসল সলিউশন (Tetrasol Solution) ব্যবহার করা অত্যন্ত
জরুরী। চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার সবচেয়ে নিরাপদ। নিয়ম জেনে
"টেটরাসল সলিউশন" ব্যবহার করুন, সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ



ইজনাির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url